1. admin@bdtv.press : bdtv.press :
  2. bnews786@gmail.com : desk :
সোমবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২১, ০৩:২৫ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
সিলেট যুবলীগের এক নেতাকে কোপালেন আরেক নেতা বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের আন্তর্জাতিক উপ-কমিটির সদস্য নির্বাচিত হলেন আইয়ুব আলী রাজনীতিতে আদর্শবান নেতা আবদুল কাদের মির্জা সিলেটে সব জল্পনা কল্পনা শেষে অবশেষে খুলল পাথর কোয়ারি. হাতিয়ায় গৃহবধূকে বিবস্ত্র করে নির্যাতনের  ভিডিও প্রকাশ নোয়াখালী সুবর্ণচরে প্রতিপক্ষের হামলায় ২ নারীসহ আহত ৫ ভোলায় ৪০ পিস ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক ভোলার দৌলতখানে ফারহান-৫ লঞ্চের ধাক্কায় নারী যাত্রীর পা বিচ্ছিন্ন গাইবান্ধায় ভোটগ্রহণ শেষে ব্যালট পেপার নিয়ে ফেরার পথে পুলিশের ওপর হামলা বিপুল ভোটে ৪র্থ বারের মত বসুরহাটের মেয়র হলেন আবদুল কাদের মির্জা
শিরোনাম:
সিলেট যুবলীগের এক নেতাকে কোপালেন আরেক নেতা বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের আন্তর্জাতিক উপ-কমিটির সদস্য নির্বাচিত হলেন আইয়ুব আলী রাজনীতিতে আদর্শবান নেতা আবদুল কাদের মির্জা সিলেটে সব জল্পনা কল্পনা শেষে অবশেষে খুলল পাথর কোয়ারি. হাতিয়ায় গৃহবধূকে বিবস্ত্র করে নির্যাতনের  ভিডিও প্রকাশ নোয়াখালী সুবর্ণচরে প্রতিপক্ষের হামলায় ২ নারীসহ আহত ৫ ভোলায় ৪০ পিস ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক ভোলার দৌলতখানে ফারহান-৫ লঞ্চের ধাক্কায় নারী যাত্রীর পা বিচ্ছিন্ন গাইবান্ধায় ভোটগ্রহণ শেষে ব্যালট পেপার নিয়ে ফেরার পথে পুলিশের ওপর হামলা বিপুল ভোটে ৪র্থ বারের মত বসুরহাটের মেয়র হলেন আবদুল কাদের মির্জা

মেডিকেল পড়ুয়া লুবনার উদ্যোক্তা হবার গল্প।

  • প্রকাশিত: রবিবার, ২০ ডিসেম্বর, ২০২০
  • ২৮১ বার পড়া হয়েছে

হুমায়রা বুশরা || কন্ট্রিবিউটর ||বিডি টিভি

Journey of a thousand miles begins with a single step..
কথাটা হয়তো অনেকেরই জানা, আজকে আমি আমার সেই সিঙ্গেল স্টেপের গল্পটাই আপনাদেরকে শোনাতে চাই।
আমার নাম লুবনা ফেরদৌস প্রমা, পরিচয় দিতে গেলে এখন একটু দ্বিধায় পড়ে যাই যে কোনটা আগে বলবো,
আমি একজন মেডিকেল স্টুডেন্ট, ব্রাহ্মণবাড়িয়া মেডিকেল কলেজে এমবিবিএস দ্বিতীয় বর্ষে অধ্যয়নরত আছি। সাথে সাথে উদ্যোক্তা হিসেবে নিজেকে পরিচয় দিতেও এখন বেশ স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি।

এখন বলি উদ্যোক্তা কেন হলাম? সত্যি কথা বলতে, উদ্যোক্তা হওয়ার কোনো পূর্বপরিকল্পনা আমার ছিলো না। তবে যেটা ছিলো সেটা হলো নিজের জন্য নিজেকে স্বয়ংসম্পূর্ণ করে গড়ে তোলার জেদ। আমি সবসময়ই ভাবতাম একজন মেয়ের জন্য স্বনির্ভর হওয়া খুবই জরুরী। এই তাগিদই আমাকে উদ্যোক্তা বানিয়েছে।
এখনকার সময়ে সবাই ই কম বেশি কোনো না কোনো কাজ করছে- কেউ টিউশন পড়াচ্ছেন, কেউ পার্ট টাইম জব করছেন।পড়াশোনার পাশাপাশি আমিও বাড়তি আয় করতে চাইতাম। তবে, আমি যেখানে থেকে পড়াশোনা করি সেখানে টিউশন পড়িয়ে ইনকাম করা মেয়ে স্টুডেন্টদের জন্য একটু টাফ আর সন্ধ্যার পর বাইরে যেয়ে পড়ানো টা প্রেশার হয়ে যেতো। মেডিকেলে পড়ার চাপটাও একটু বেশি, তাই চাইতাম যে উপার্জনের পথটা যেন আমার আয়ত্তের ভেতরে থাকে, পড়াশোনা সামলে তারপর যেন অনায়াসে কাজ সামাল দিতে পারি।
আমি অবসর সময়ে টুকটাক ফ্রিল্যান্সিং এর কাজ করতাম, অনলাইন ম্যাগাজিনে ট্রান্সলেটরের কাজ ও করতাম…ওসব করে পকেট মানিটা ভালো ভাবেই উঠে আসতো। বেশ কিছু টাকাও জমালাম। একসময় সিদ্ধান্ত নিলাম যে নিজের জমানো টাকাগুলো ইনভেস্ট করে স্থায়ীভাবে উপার্জনের কোনো উৎস কি তৈরি করা যেতে পারে? দিনরাত এই নিয়ে ভাবতাম…করোনার কারনে তখন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ, বাইরে বের হওয়াও নিষেধ। মনে মনে ভাবলাম যা করতে হবে ঘরে বসেই করতে হবে। যে সময়টা পাচ্ছি এটা কলেজ খুলে গেলে আর পাবোনা। কিন্তু কি করবো তাই জানতাম না। একসময় মাথায় এলো, আমি যে এত আঁকাআঁকি আর ক্র্যাফ্রিং করতাম একসময়, সেসব কিছুই তো আর চর্চা করিনা। ছোটবেলায় এক্সট্রা কারিকুলার একটিভিটিসে খুব উৎসাহ নিয়ে অংশ নিতাম, ছবি আঁকা আর ক্র্যাফ্টের প্রতিও খুব নেশা ছিলো। আমার হোস্টেল রুমের দেওয়ালে ওয়াল আর্ট করেছিলাম, সেই দেখেও কত মানুষ কত প্রশংসা করলো! বলতো আমার দেওয়ালে একে দিও প্লিজ। তখন মনে মনে ভাবতাম,এভাবে আড়াল থেকে খালি এঁকেই যাবো নাকি এই স্কিলটা কে একটু ভিন্নভাবে কাজে লাগাবো? আর আমি জানতাম ভালোলাগার কোনো বিষয় নিয়ে কাজ করার সুবিধা হলো সেটায় কখনো বিরক্তি আসেনা..আমি ঘন্টার পর ঘন্টা ধরে ছবি আঁকতে পারতাম।তাই, সিদ্ধান্ত নিলাম যে কাজই করি আর্ট রিলেটেড যেন হয়। এরপর, এই কোয়ারেন্টাইনে.. এই তো চার মাস আগে অগাস্ট মাসে আমি আমার অনলাইন বিজনেস পেইজ Meroar চালু করি। আমি পেইজ খোলার আগে অনেক দিন সময় নিয়ে শুধু চিন্তাই করেছিলাম যে কি নিয়ে কাজ করা যায়। স্বপ্ন নাকি সেটাই যা আমাদেরকে ঘুমাতে দেয় না। কথাটার মর্ম আমি ওই একমাস খুব ভালো ভাবেই টের পেয়েছিলাম। একদিন বাথরুমে কাপড় ধোয়ার সময় হঠাৎ ওয়াল মিরর টার দিকে চোখ যায়, আর মাথায় আসলো-“আরে! আয়না নিয়েই তো কাজ করতে পারি! সবার ঘরেই আয়না লাগে, অনেক কাজে আয়না লাগে!” ব্যাস ওই এক মূহুর্তে আসা আইডিয়াটাকেই আজকে আমি বাস্তবে একটা রূপ দিয়েছি। প্রথমে খুব সন্দিহান ছিলাম যে আয়না কেউ নিবে কিনা। কিন্তু ২৯ অগাস্ট দুপুরে আমার প্রথম হ্যাডক্র্যফ্টেড আয়না
” বাতায়ন” এর ছবি পোস্ট করার পর ওইদিন রাতেই আমার আয়নাটা ৮৫০ টাকায় বিক্রি হয়ে যায়, ব্যাস সেই থেকেই শুরু।আর বসে থাকতে হয়নি।নিজের তৈরি এই প্লাটফর্মই এখন আমার বাড়তি আয়ের উৎস।

বিভিন্ন থিমে আয়না তৈরি করি আমি এবং সেগুলোর নকশা বা কারুকার্য সবটাই হাতে করা হয়। সৌন্দর্যচর্চা থেকে শুরু করে অন্দরসজ্জা, গায়ে হলুদ, বিয়ে বা প্রিয়জনকে উপহার দেওয়ার জন্যও আয়না এখন বহুল ব্যবহৃত।শুরুতে মাত্র ৫ হাজার টাকা ইনভেস্ট করলেও চার মাসে প্রায় ৩০ হাজার টাকার মতন সেল হয়েছে যা একজন স্টুডেন্টের জন্য যথেষ্ট সন্মানজনক!আমি এবং আমার কো পার্টনার ফাউজুল আজিম দুজন মিলেই Meroar পরিচালনা করছি, অসংখ্য বন্ধুরা আছে যেমন তৃষা, তারিন,আফ্রা, রিয়া, জিম, ঐশি, যারা শুরু থেকে মিররকে সাপোর্ট করে এসেছে এবং স্বপ্ন দেখতে উৎসাহ দিয়েছে আর জোড় গলায় বলেছে মিরর একদিন অনেক বড় হবে!

আমি স্বপ্ন দেখি একদিন বিশ্বের আরো অনেক দেশে আমাদের হাতের কাজকে পৌঁছে দেওয়ার। আর লক্ষ্যের কথা বলতে হলে যেটা বলবো-আমি একজন ভালো ডাক্তার হতে চাই যে একজন সফল ব্যবসায়ীও হবে।আমি চাই আমি মানুষকে চিকিৎসা সেবা দেয়ার পাশাপাশি তাদেরকে যেন স্বনির্ভরতার পথ দেখাতে পারি, যেন জীবনের প্রতি কেউ কখনো আগ্রহ হারিয়ে না ফেলে। আমি চাই, আমাদের দেশের অসহায় মানুষ যারা হয়তো কাজের অভাবে দুস্থ এবং মানবেতর জীবন যাপন করছেন, যে মানুষ গুলো হয়তো পর্যাপ্ত শিক্ষার অভাবে, ডিগ্রীর অভাবে ভালো কোথাও চাকরি পাচ্ছেন না, সঠিক প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তাদেরকে হস্তশিল্প শিখিয়ে জীবনমুখী করতে চাই।আমার লক্ষ্য আমি একটা অফিস বানাবো যেখানে চাকরি পেতে ডিগ্রি লাগবেনা, সরকারী কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সার্টিফিকেট লাগবেনা, মারাত্মক ব্রিলিয়ান্ট কোনো টপার হতে হবেনা, শুধু কাজ শিখে যে অফিসে চাকরি করা যাবে।

লুবনা ফেরদৌস প্রমা
ওনার অফ Meroar-online mirror shop

প্রিয় উদ্যোক্তা আপনারা ও এরকম ইন্টারভিউতে অংশ নিয়ে আপনার পন্য /ব্যবসা কিংবা স্বপ্নের কথা তুলে ধরে নিজেকে আরো বেশী প্রসারিত করতে পারেন। প্রকাশ করতে নিচের গ্রুপে যুক্ত থাকুন👇👇

https://www.facebook.com/groups/shadhinbanglaofficial

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত